ও মেয়ে, তোর মুখটি কেন ভার?
চোখটি ছলোছল?
মনপবনের নাও ভাসিয়ে
বইছে নোনা জল !
কেন – আমায় খুলে বল ।
এই তো কেমন হিমেল হাওয়া,
গাছের পাতায় আলো ।
ভোরের সূয্যি ঢেকে দিলেন
রাতকলসের কালো ।
রূপসী দিন প্রেক্ষণিকা,
পূর্ণ ঢলোঢল ।
তবু চোখটি ছলোছল !
কেন – আমায় খুলে বল ।
একদা কাকচক্ষু মনে প্রাত্যহিকের কালি ।
পড়শি গেছে দেশান্তরে, আয়নামহল খালি ।
আঁটকুঠুরি – ঝাঁট পড়ে না – জমছে ধুলোবালি ।
নিকিয়ে নে না উঠোনখানা,
সাজিয়ে নে না ঘর ।
আঁধারজমা আঁটকুঠুরি
আলোয় মেলে ধর ।
অমনি দেখবি বিহানবেলায় ক্রন্দসী যায় ভেসে ।
গহীন রাতে আলাপচারি – পড়শি এল দেশে ।
কবিতাটি কবয়িত্রীর মনের মতই সুন্দর হয়েছে। শুধু একটা কথা বুঝলাম না। আমার ধারণা ছিল কথাটি “আট কুঠুরী”। বাউলের দেহতত্ত্বে এর মানে মানব শরীর। এখানে দেখলাম “আঁটকুঠুরী” কথাটির ব্যবহার। আমার reference অনুযায়ী একটা মানে আমি করে নিলাম। কিন্তু জানতে ইচ্ছে করছে যে ওই কথাটির অন্য কোন মানে আছে কিনা। নাকি এটি কবয়িত্রীর নিজের তৈরী কোন নতুন শব্দ যার মানে এই কবিতাটিকে এক অন্যতর মাত্রা দিয়েছে।